এবারই প্রথম একসঙ্গে ছয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার অংশ নিয়েছেন পিএসএলে। তবে তাদের মধ্যে ওপেনার তানজিদ তামিম এখনও একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ পাননি পেশোয়ার জালমির হয়ে। ক্যারিয়ারের প্রথম বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটিতে তাই অভিষেক না করেই দেশে ফিরে আসতে হচ্ছে তাঁকে। কেননা একমাত্র মুস্তাফিজ ছাড়া বাকিদের পিএসএলে খেলার বিসিবির ছাড়পত্রের সময় আজই শেষ হচ্ছে।
এরই মধ্যে কাঁধে চোট পাওয়ায় গতকালই দেশে রওনা দিয়েছেন ওপেনার পারভেজ ইমন। নিউজিল্যান্ড সিরিজকে সামনে রেখে আজ মুস্তাফিজসহ বাকিদেরও করাচি থেকে ঢাকা রওনা দেওয়ার কথা। এই আসরে মুস্তাফিজ আর নাহিদ রানা ছাড়া বাকিরা সেভাবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি।
গতকাল পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে ৩০ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেছেন লাহোরের হয়ে খেলা মুস্তাফিজুর রহমান। এই আসরে ৫ ম্যাচে ১২২ রানের খরচে ৬ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। ইকোনমি ৭.১৭। যদিও তার দল এদিন নাহিদ রানাদের কাছে হেরেছে ৭৬ রানের বিশাল ব্যাবধানে। লাহোরের ১৭৪ রানের লক্ষ তাড়া করতে নেমে পেশোয়ার গুটিয়ে যায় ৯৭ রানে। নাহিদ রানা ৩ ওভারে ১৫ রানের খরচে তুলে নেন দুটি উইকেট। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের আরেক পেসার নাহিদ রানা পেশোয়ারের হয়ে মাত্র ৩ ম্যাচ খেলে ৫২ রানে ওভারপ্রতি ৫.২০ দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেছেন। আসরে ৫ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নাহিদ রানাদের পেশোয়ার।
তবে পিসএলে সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি পেসার শরিফুল। পেশোয়ার জালমির হয়ে চার ম্যাচ খেলে মাত্র ২ উইকেট নিতে পেরেছেন। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৮.৩৬। রিশাদ হোসেনেরও এই আসরে সময়টা মোটেই ভালো যায়নি। পিন্ডিজের হয়ে চার ম্যাচে ওভারপ্রতি ১১.০৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন মাত্র। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে পারভেজ ইমন তিন ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন; যেখানে ৩ ম্যাচে ৭১ রান করেছেন। স্ট্রাইকরেট ছিল তাঁর ১৬১.৩৬। লাহোরের হয়ে প্রথম দুই ম্যাচে ১২ আর ১৪ রান তোলার পর তৃতীয় ম্যাচে এসে ৪৫ রান নিয়েছিলেন ১৯ বলে।
মুস্তাফিজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষে ফিরে যাবেন আবার পিএসএলে। যদিও তার দল লাহোর এই মুহুর্তে পয়েন্ট তালিকায় ছয় নম্বরে রয়েছে। নকআউট পর্বে যাওয়ার অনিশ্চয়তা আছে তার দলের। তবে বাকি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য আপাতত এবারের পিএসএল আসার শেষ।
খুলনা গেজেট/এনএম

